এই প্রশ্ন গুলোই বার বার ঘুরেফিরে আসে
উওর এইটাই।

১) অভাব পূরনের ক্ষেএে নিবাচন সমস্যা দেখা যায় কেন?[কু.বো২২, য.বো ১৯]

উওর: সমাজে অভাবে তুলনায় সম্পদ সীমিত হওয়াই নিবার্চন সমস্যা দেখা দেই। 

মানুষের অভাব অসীম। কিন্তুু এই অভাব পূরনের জন‍্য সম্পদ সীমিত। তাই কোনো নিদিষ্ট সময়ে সব অভাব এক সাথে পূরন করার সম্ভব না। আবার সব অভাব সমান গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই ব‍্যক্তিকে তার অভাবে গুরুত্ব অনুসারে কোন অভাব আগে আর কোন অভাব পরে পূরন করতে হবে।

এইভাবে অভাব পূরন নিবার্চন সমস্যা দেখা দেয়।

২) উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা বলতে কী বোঝায়।[ঢা.বো,ব,বো১৯]

উওর: বিদ‍্যমান প্রযুক্তি ও নিদিষ্ট পরিমাণ উপকরন দ্বারা উৎপাদিত দুইটি দ্রব‍্যের সম্ভাব‍্য বিভিন্ন সংমিশ্রণে যে রেখার বিভিন্ন বিন্দুকে নির্দেশ করা হয় তাকে উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা (ppc) বলে।

মনে করি, একটি সমাজের সীমাবদ্ধ সম্পদের সাহায্যে  ১ লক্ষ বই অথবা ১ কোটি কলম তৈরি করতে পারে। সমাজ ইচ্ছা করলে কলম উৎপাদন হ্রাস করে বই উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পারে। আবার একই পরিমাণ সম্পদের সাহায্য বই এবং কলম সংমিশ্রণে উৎপাদন করতে পারে। এভাবে সীমিত সম্পদের সাহায্য বিভিন্ন সংমিশ্রণে উৎপাদন সম্ভূবনা রেখা (ppc) সাহায্য দেখানো হয়।

৩) সুযোগ ব‍্যয়ের উদ্ভব ঘটে কেন ?

উওর: মানুষের অভাব অসীম কিন্তুু সম্পদ  সীমিত হওয়ার দরুন নির্বাচন সমস‍্যা পড়তে হয়। মূলত এখান থেকেই সুযোগ ব‍্যায়ের ধারনা সৃষ্টি।

কোনো একটি দ্রব‍্য পাওয়া জন‍্য অন‍্য দ্রব‍্যটির উৎপাদন /ভোগের দ্রব‍্য যে পরিমান ত‍্যাগ করতে হয়,এই ত‍্যাগকৃত পরিমাণই হলো প্রথম দ্রব‍্যটির সুযোগ ব‍্যয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, এক বিঘা জমিতে ধান চাষ করলে বিশ কুইন্টাল ধান উৎপাদন হয়। আবার পাট চাষ করলে বিশ কুইন্টাল ধান উৎপাদন করা যেত। এক্ষেত্রে বিশ কুইন্টাল ধানের সুযোগ ব‍্যায় হলো দশ কুইন্টাল ধান।

৪) দুষ্প্রাপ্যতার সৃষ্টি হয় কেন? ব‍্যাখ‍্যা করো।

উওর: মানুষের অসীম অভাব আর সে তুলনায় সম্পদ সীমিত হওয়াই অর্থনীতিতে দুষ্প্রাপ্যতা সৃষ্টি হয়।

মানুষের জীবনে অভাবের শেষ নেই। অর্থাৎ মানুষের চাহিদা অসীম। আর সকল প্রকার চাহিদা পূরনের জন‍্য প্রয়োজন হয় সম্পদ। কিন্তুু সম্পদের পরিমাণ সীমিত হওয়াই মানুষের সকল অভাব চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়।  মূলত দুষ্প্রাপ্যতা কারন এটাই। 

৫) ধনতান্ত্রিক অর্থব‍্যবস্থাই ভোক্তার সার্বভোমত্ব ব‍্যাখ‍্যা করো।

উওর: ধনতান্ত্রিক অর্থব‍্যবস্থায় দেশের সম্পদের বেশির ভাগই পুজিপতি উদ‍্যোক্তাদের মালিকানায় থাকে বলে শ্রেনিবৈষম‍্য সৃষ্টি হয়। পুঁজিপতিরি  দ্ররিদ্র শ্রমিকদের দুরবলতার সুযোগ নিয়ে কম মুজরিতে তাদের কাজে নিয়োজিত করে। মুজরি উদ্বৃত অংশ আত্মসাৎ করে। এই দিকে পঁজিপতিরা এক দিকে যেমন অধিক অর্থ উপাজন করে ধনী হতে থাকে। দ্ররিদ্র  মানুষ আরো দ্ররিদ্র হতে থাকে।


গ, ঘ প্রশ্নের জন‍্য বইয়ের যে সব ট্রপিক গুলো ভালো ভাবে পড়তে হবে।

১) ধনতান্ত্রিক ও সমাজতান্ত্রিক 

২) ইসলামিক অর্থব‍্যবস্থা

৩) মৌলিক অর্থনৈতিক সমস্যা